ঢাকা, রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬ ()

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) নেতৃবৃন্দ

নির্বাচন রুখে দেওয়ার আহ্বান সিপিবির

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) নেতৃবৃন্দ বলেছেন, ক্ষমতাসীন সরকারের একতরফা প্রহসনমূলক নির্বাচন দেশের জনসাধারণ বর্জন করেছে। নির্বাচনের নামে সরকার যে ডামাডোল তৈরি করতে চেয়েছিল সে সকল আয়োজন ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে। ক্ষমতা চীরস্থায়ী করার চিত্রনাট্যের অংশ হিসেবে আগামী ৭ জানুয়ারি যে প্রহসন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, তা রুখে দাঁড়াবে দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষ।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর পুরানা পল্টন মোড়ে নির্বাচন বর্জন, দুর্নীতিবাজ ঋণখেলাপীদের রুখে দাঁড়ানো ও চলমান দুঃশাসন হটানোর দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন।

সিপিবির পল্টন থানা কমিটির সভাপতি কার্ত্তিক চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে ও সিপিবি নেতা মঞ্জুর মঈনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তৃতা করেন রাকসুর সাবেক ভিপি রাগীব আহসান মুন্না, সিপিবি নেতা ত্রিদিব সাহা, সদস্য হযরত আলী, মুর্শিকুল ইসলাম শিমুল প্রমুখ।

সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, গণদাবি ও জনমত উপেক্ষা করে বর্তমান সরকার আবারো প্রহসনের নির্বাচন করতে চলেছে। নিকট অতীতে গত দুটি নির্বাচনে সাধারণ মানুষ ভোট দিতে পারেনি। এ সময়ে যারা নতুন ভোটার হয়েছে, তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে দেওয়া হয়নি।

২০২৪ এর জানুয়ারিতে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে সরকার। এই নির্বাচন সব দলের অংশগ্রহণে হচ্ছে না।

নেতৃবৃন্দ বলেন, নতুন নতুন ‘কিংস পার্টি’ তৈরি করে, সরকারি দলের লোকদের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করিয়ে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দেখানোর চেষ্টা করছে সরকার। প্রকৃতভাবে ৭ জানুয়ারি একটি একতরফা প্রহসনের নির্বাচন হতে যাচ্ছে।

ক্ষমতাসীন দল বিরোধী দমন ও নানান চক্রান্তে নিজেদের বিজয় নিশ্চিত করে এই ভোট সম্পন্ন করতে চাইছে। ভোটের প্রার্থী সংখ্যা বাড়াতে নেতা কেনা-বেচা, হানি ট্র্যাপ, মানি ট্র্যাপ ইত্যাদি চেষ্টা করতে গিয়ে সরকার লেজে-গোবরে অবস্থা সৃষ্টি করেছে।

সমাবেশে অবিলম্বে সংসদ ভেঙে দেওয়া ও ক্ষমতাসীন সরকারকে পদত্যাগ করে নির্দলীয় তদারকি সরকারের অধীনে একটি অংশগ্রহণমূলক, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানানো হয়। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।


     এই বিভাগের আরো খবর